বিশ্বশান্তি এটি শুধু একটি স্বপ্ন নয়, বরং মানবজাতির দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা। বিভেদ, হিংসা, যুদ্ধ ও অশান্তির ভেতর দিয়ে আজকের পৃথিবী যতই এগিয়ে চলুক, মানব হৃদয়ের অন্তর্গত চাওয়াটা কিন্তু একই রকম— শান্তি। শান্তি যা প্রত্যেক পরিবারে, প্রতিটি সমাজে, প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে আলো ছড়ায়। আর সেই মহান আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে রূপ দিতে জন্ম নিয়েছে *“বিশ্বশান্তি সহায়ক তহবিল”*— এমন এক উদ্যোগ, যা মানুষের জীবনে শান্তির সোনালি আলো ছড়িয়ে দিতে নিবেদিত।
এই মহান লক্ষ্য বাস্তবায়নে রিডফোর্ড ফাউন্ডেশন হরহামেশাই নিবেদিত। এই অলাভজনক প্রতিষ্ঠান বিশ্বাস করে, শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পৃথিবীর জুলুমবাজ এবং অরাজকতা থামিয়ে দিতে হলে এমন কিছু প্রতিভাবান শক্তিশালী হৃদয়বান বিশ্বনাগরিক তৈরি করতে হবে৷ যাদের কথায় হৃদয়ের পরিবর্তন ঘটে, নৈতিকতার পুনর্জাগরণ ও মানুষের পারস্পরিক সহমর্মিতার পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয়।
*“বিশ্বশান্তি সহায়ক তহবিল”* এমন একটি সেতু— যা মানুষের হৃদয়কে একত্রিত করে। যেখানে মানবতার প্রতি দায়বদ্ধ ব্যক্তিরা তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সাপোর্ট দিয়ে থাকেন, আর রিডফোর্ড ফাউন্ডেশন পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে সেই সহায়তাকে রূপান্তর করে শান্তি আলোয়। শিশুশিক্ষা থেকে শুরু করে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন, দুর্বল এলাকায় মানবিক কার্যক্রম থেকে শুরু করে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে শান্তি সংলাপ আয়োজন৷ সবক্ষেত্রেই এ তহবিল ফাউন্ডেশনের শক্তি ও সাহস জুগিয়ে থাকে।
আসল সত্যকে অস্বীকার করা যায় না— যতদিন পর্যন্ত মানুষ তার ভেতরের অশান্তিকে জয় করতে না পারবে, ততদিন বাইরের পৃথিবীও শান্ত হবে না। তাই রিডফোর্ড ফাউন্ডেশন “বিশ্বশান্তি সহায়ক তহবিল” এর মাধ্যমে শুধু অর্থনৈতিক সহায়তাই নয়, বরং নৈতিক ও আধ্যাত্মিক জাগরণও সৃষ্টির চেষ্টা করে। এটি মানুষকে শেখায়—সততা, ন্যায়বিচার, সহমর্মিতা এবং পরস্পরের প্রতি সম্মান ছাড়া প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন শান্ত পৃথিবীতে শ্বাস নিতে পারে, যেন তারা সহিংসতার আগুন নয় বরং বন্ধুত্বের আলো দেখতে পায়, সেই মহান লক্ষ্যেই রিডফোর্ড ফাউন্ডেশন এই উদ্যোগকে সামনে এগিয়ে নিচ্ছে। প্রতিটি অনুদান, প্রতিটি সহায়তা এখানে হয়ে ওঠে একেকটি বীজ—যা থেকে অঙ্কুরিত হয় শান্তির বৃক্ষ, ছড়িয়ে পড়ে মানবতার সুবাস।
অতএব, *বিশ্বশান্তি সহায়ক তহবিল* কেবল একটি আর্থিক ডোনেশন প্রকল্প নয়; এটি হচ্ছে মানবতার জন্য এক মহৎ উদ্যোগ। আর রিডফোর্ড ফাউন্ডেশন সেই উদ্যোগ লালন করে এগিয়ে চলেছে এক নতুন পৃথিবীর দিকে, যেখানে থাকবে না যুদ্ধের হাহাকার, থাকবে কেবল শান্তির সুর আর সহমর্মিতার জয়গান।
দান পাঠানোর মাধ্যম